ইবির ফার্মেসি বিভাগে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের অনীহা

news paper

শাহনেওয়াজ আলী, ইবিথানা

প্রকাশিত: ২৩-৯-২০২৩ দুপুর ১২:২১

3Views

শিক্ষক,শ্রেণিকক্ষ,প্রাকটিক্যাল ল্যাবরেটরী,টেকনিশিয়ান সহ নানাবিধ সংকটে ভুগছে ইবির ফার্মেসি বিভাগ। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরও সংকটের সমাধান না হওয়ায় প্রশ্নের সম্মুখে পড়েছে বিভাগটির শিক্ষার মান।শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য বেধে দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়ায় সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভাগটির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণ না করলে আগামীতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞার হুশিয়ারিও দিয়েছে সংস্থাটি। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।বিভাগটির অফিস সূত্রে জানা যায়,  ২০১৭-১৮ইং শিক্ষাবর্ষ থেকে যথাযথ শর্ত মেনে বিভাটি কার্যক্রম শুরু করে।পাঁচটি সেশনে বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৫০জন।২০২২-২৩ইং সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া চলমান।দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্চ পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ৪র্থ বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত এ বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে মাত্র ৪০জন।এ বছরে আশানুরূপ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিভাগে ৪জন শিক্ষক নিয়োগ থাকলেও ২জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন।বর্তমানে সভাপতি সহ অন্য দুইজন শিক্ষক নিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে এ বিভাগের কার্যক্রম।সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক প্রসূণ সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল দেশের ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের উপরে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ইবির ফার্মেসি বিভাগ অন্যতম।ফার্মেসি কাউন্সিলের চিঠিতে বলা হয় অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী শতভাগ শর্ত পূরণ না করে এ বিভাগ খোলা হয়েছে।পর্যাপ্ত সংখ্যাক শিক্ষক নিয়োগ,ক্যামিকেলের ব্যবস্থা,চারটি শ্রেণিকক্ষ চালু,প্রাক্টিক্যাল গবেষণাগার,এনিম্যাল হাউস স্থাপণ,মেডিসিন প্লান্ট স্থাপণসহ ১৭টি শর্ত আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পূরণ না হলে আগামী সেশন থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ থাকবে।শিক্ষার্থী সংকটের বিষয়ে সভাপতি জানান,চলতি শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তিতে অনীহা প্রকাশ করেছে।ইবিতে ফার্মেসি বিভাগ চালুর সময় কালের ভিসি প্রফেঃ ড.হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন,যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই তৎকালীন সময়ে এ বিভাগটি চালু করা হয়।দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান না-হওয়ার ব্যার্থতা প্রশাসন এড়িয়ে যেতে পারে না।ভিসি প্রফেঃ শেখ আঃসালাম সকালের সময়কে বলেন, অচিরেই এ বিভাগে শিক্ষক,টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া হবে।এনিম্যাল হাউজ প্লান্ট, মেডিসিন প্লান্ট ও কেমিক্যাল ক্রয়ের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের শর্ত সমূহ পূরণ করা হবে।


আরও পড়ুন