নেতাদের ম্যানেজ করায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসে চাঁদাবাজি

news paper

আব্দুল লতিফ রানা

প্রকাশিত: ২০-৮-২০২৩ দুপুর ৪:৪৮

267Views

কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরের অধীন সাতটি বিভাগের অফিসে বহিরাগত দালালদের কাছ থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বহিরাগতরা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট তৃতীয় শ্রেণির নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে মাসোহারা দিয়েই সরকারি অফিসের চেয়ার, টেবিল ও কম্পিউটার ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে প্রকাশ্যেই বলছেন। এসব বহিরাগতরা দাখিলাপত্র দাতাদের কাছ থেকে অভিনব পন্থায় অর্থ আদায় করছে।
এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মনীম এর সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট দপ্তরে বহিরাগতদের বিষয়ে তার জানা নেই বলে সকালের সময়কে জানিয়েছেন। 

আর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা দক্ষিণ শওকত আলী সাদীর সেল ফোনে শনিবার সন্ধ্যায় একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সূত্র জানায়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরের অধীন সাতটি বিভাগের অফিসগুলোর বহিরাগতদের কাছ থেকে চাঁদার পরিমাণ বৃদ্ধির জন্যই তাদেরকে উচ্ছেদের নামে গত ২ আগস্ট সভাপতি মাজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম তুহিনের স্বাক্ষরিক এক পত্রের মাধ্যমে সাধারণ সভা ও মতবিনিময় সভার আহব্বান করা হয়। এ বিষয়ে গত ১০ আগস্ট “কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসে বহিরাগত’ ‘সরকারি কম্পিউটার ও চেয়ার টেবিল দখল করেছে দালালেরা” শিরোনামে এক প্রতিবেদন ছাপা হয়। উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছত্রছায়ায় নানা অনিয়ম, দুর্নীতির তথ্য ছাড়াও সমিতির একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তাদের ‘পালিত’ বহিরাগতদের মাধ্যমে অর্থ আয়ের নানা পদ্ধতি প্রতিবেদক এর কাছে আসতে থাকে। এদিকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট তৃতীয় শ্রেণির নির্বাহী কর্মচারী সমিতি ‘ঢাকাস’ ঢাকা এ সকল সদস্যদের অবগতির জন্য গত ৮ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা দক্ষিণ এর সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সভা হয়। উক্ত সভায় আলোচ্যসূচির মধ্যে ‘কতিপয় দুষ্ট বহিরাগত দমন’ এর বিষয়ে আলোচনা করা হয়। উক্ত সভায় সাধারণ সদস্যরা এসব বহিরাগতদের উচ্ছেদে ঐক্যবদ্ধ মতামত ব্যক্ত করেন। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে সর্বসম্মতভাবে বহিরাগতদের উচ্ছেদে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আর এই উচ্ছেদের বিষয়টি বহিরাগতদের জানানো হয়। এরপর তারা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট তৃতীয় শ্রেণির নির্বাহী কর্মচারী সমিতি ‘ঢাকাস’ ঢাকার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাদের কাছে ধর্না দিতে থাকেন। 

সূত্র জানায়, উক্ত বহিরাগতরা বিভিন্ন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে নেতাদের সঙ্গে আপোষ রফা করেছেন। এরপর তাদের সেই উচ্ছেদ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তটি থমকে গেছে। অথচ এর আগে সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বহিরাগত উচ্ছেদ সংক্রান্ত সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা দক্ষিণ, যুগ্ম কমিশনার, ১/২/৩/, ঢাকা দক্ষিণ, উপ কমিশনার-১/২/৩, ঢাকা দক্ষিণ, সহকারী কমিশনার, ঢাকা দক্ষিণ, বিভাগীয় কর্মকর্তা, সকল বিভাগ, রাজস্ব কর্মকর্তা সকল সার্কেলে বহিরাগতদের উচ্ছেদের বিষয়ে পত্র পেরণের বিষয়ে আলোচনা হয়। 

জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের মোট আটটি বিভাগীয় দপ্তরের প্রতিটি দপ্তরে সাত থেকে আটজন করে বহিরাগত রয়েছে। তারা অফিসের কর্মচারী-কর্মকর্তাদের চেয়ার টেবিল ও কম্পিউটার ব্যবহার করছেন। ফলে সেবা প্রত্যাশিরা বহিরাগতদের সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তা প্রতারিত হচ্ছেন।

প্রতারকচক্র তাদের কাছে থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েও তাদের হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। এসব বহিরাগতদের মধ্যে ফতুল্লা সার্কেলের মতিউর রহমান ও কম্পিটারম্যান রাজ অন্যতম, এনায়েতনগর সার্কেলের আশরাফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের আলামিন ও আলী হোসেন, আলীগঞ্জ সার্কেলের সোহেল রানা, হামজা, কম্পিউটারম্যান রায়হান ও পারভেজ একই পদ্ধতিতে দালালি করছেন। এই বহিরাগতরা অফিসের সরকারি কম্পিউটার ব্যবহার করছেন। আবার কেউ কেউ নিজস্ব কম্পিউটার অফিসে রেখে দালালির কাজ করছেন। শুধু তাই নয়, ভ্যাট অফিসের গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। বহিরাগত এসব কর্মচারীদের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের কতিপয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তা শেল্টার দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার অনেক কর্মকর্তার আপনজনকেও অফিসে বসিয়ে দালালির কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। ফলে এদের বিরুদ্ধে কেউ কোন টু শব্দ পর্যন্ত বলতে পারছেন না। আলামীন প্রতিদিন ভ্যাটদাতাদের তথ্য নিয়ে আসে। আর এসব ভ্যাট দাতাদের কাছ থেকে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করছেন।
ভুক্তভোগিরা জানান, ‘দুর্নীতিবাজ’ কর্মকর্তাদের সহযোগী হিসেবে বহিরাগতরা কাজ করছেন। তারা সেকশন টু সেকশনে ঘুর ঘুর করেন। ব্যবসায়ীদের ভ্যাট ফাঁকিসহ বিভিন্ন অজুহাতে ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। এরআগে কাস্টমস এক্সসাইজ ভ্যাট অফিস থেকে বেশ কিছু সংখ্যক বহিরাগতদের বের করে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারা ওই সব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট তৃতীয় শ্রেণি নির্বাহী কর্মচারী সমিতির নেতাদের সহযোগিতায় তারা আবার ফিরে এসে সরকারি কম্পিউটারসহ অফিসের চেয়ার টেবিল ব্যবহার করছেন। এদের কাছে অধিকাংশ কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ জিম্মি। আর এদের কারণেই কাস্টমস এক্সাইজ ভ্যাট অফিসগুলো ঘিচ ঘিচ করছে।

বহিরাগতদের কাস্টমস কর্মকর্তারা অবৈধ কার্যকলাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। অথচ তারা কেউ সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন। তারা দাপটের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিচয়ে কাজ করেন। তারা সব অবৈধ লেনদেনে ব্যস্ত থাকছেন। অনেক সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তাদের তারা কোন প্রকার পাত্তা দেন না। এরা শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। কাস্টমস কর্মকর্তারাও এদের ওপর নির্ভরশীল বলে অফিসের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ করেছেন।
অপরদিকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট পশ্চিম বিভাগের বহিরাগতরা একই উপায়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে। দুর্নীতিবাজ বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বহিরাগতদের সরকারি কম্পিউটার ও চেয়ার টেবিল ব্যবহার করার সুযোগ করে দিচ্ছেন। ফলে বহিরাগতরা অফিসের নথি, ফাইলপত্র ও তথ্য বাহিরে পাচারের সুযোগ পাচ্ছে বলেও অভিযোগে জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সদর দপ্তরে বহিরাগতদের অবস্থা বুঝে কেউ বুঝতেই পারছেন যে, তারা কোন সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তা নন। তারা অফিসের গোপন নথিসহ ফাইলপত্র অর্থের বিনিময়ে বাহিরে সরবরাহ করে থাকেন বলেও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। আর এই সাতটি বিভাগ হচ্ছে মোহাম্মদপুর বিভাগ, মানিকগঞ্জ বিভাগ, সাভার বিভাগ, মিরপুর বিভাগ, ধামরাই বিভাগ, টাঙ্গাইল বিভাগ ও জালামপুর বিভাগ। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর অধীন এই সাতটি বিভাগের প্রতিটি অফিসেই বহিরাগতরা আধিপত্য বিস্তার চালিয়ে আসছেন। তাদের কাছে প্রকৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একপ্রকার জিম্মি। আর এসব বিভাগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জামালপুর বিভাগের দুইজন বহিরাগত অবৈধ উপায়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ উপাজন করছেন। তারা হলেন মিলন ও হিরা। মিলন রিটার্ন দাখিলপত্র জমাদানকারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে কমিশনার ও বিভাগীয় কর্মকর্তার নামে প্রতিমাসে সাত থেকে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অবৈধ উপায়ে আয়কৃত টাকার ভাগ বহিরাগত ‘মিলন’ সদর দপ্তরে প্রধান অফিসের সিপাই মো. তানজিলকে প্রদান করেন। আর সিপাই তানঝিল কমিশনারের দপ্তরে ৮ থেকে ৯ বছর ধরে ডিউটি করেন। ফলে তিনি বহিরাগত ব্যক্তিদের কাছ থেকে কমিশনারের নাম ভাঙিয়ে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকার ভাগ মিলনের কাছ থেকে পাচ্ছেন। আর মিলনের সঙ্গে হিরা নামের অপর এক বহিরাগত দালাল মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

তাছাড়া অফিস সহকারী সঞ্জীবকে বহিরাগত মিলন ও হিরার অবৈধ উপায়ে উপার্জিত অর্থের ভাগ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিলন ও হিরার কাছ থেকে পাওয়া অর্থের ভাগ জামালপুর বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক এর কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। এ বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মিলনের বিষয়ে প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, মিলন সরকারি কর্মচারী নয়। এখানে বিভিন্ন কাজ কম্পিউটারে করে দেন। এজন্য দাখিলপত্র জমাদানকারীর কাছ থেকে কিছু নিতে পারেন বলেও তিনি স্বীকার করেছেন। আর সরকারি অফিসের কম্পিউটার বহিরাগত কিভাবে ব্যবহার করেন, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিলন সরকারি কম্পিউটার ব্যবহার করেন না। তিনি নিজেই ব্যক্তিগত ‘কম্পিউটার’ পরে বলেন ল্যাপটপ দিয়ে কাজ করেন। আর তিনি নিজেই বাসা থেকে ল্যাপটপ নিয়ে আসেন বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট বিভাগে ধাপে ধাপে অনিয়ম হচ্ছে। কাস্টমস হাউসে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপে অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে। কাস্টমসে অবৈধ লেনদেনে ব্যবসায়ী ও কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে মুখ্য সহায়তাকারীর দায়িত্ব পালন করছেন বহিরাগতরা। তারা মূলত কমিশনের ভিত্তিতে কাস্টমস ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়ে কাজ করছেন। কাস্টমস হাউসে অটোমেশন চালুর পাশাপাশি ম্যানুয়াল পদ্ধতিও বিদ্যমান থাকায় অবৈধ অর্থ আদায়ের সুযোগ থেকে যাচ্ছে। আর সেই সুযোগটাই বহিরাগতরা কাজে লাগিয়ে কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এসব বহিরাগতদের ব্যবহার করছেন। আবার দুর্নীতিবাজ একশ্রেণির কর্মকর্তাদের সহযোগী হিসেবে বহিরাগতরা কাজ করছেন। তারা সেকশন টু সেকশনে ঘুর ঘুর করেন। ব্যবসায়ীদের ভ্যাট ফাঁকিসহ বিভিন্ন অজুহাতে ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। এরপর আগে কাস্টমস এক্সাইজ ভ্যাট অফিস থেকে বেশ কিছু সংখ্যক বহিরাগতদের বের করে দেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারা ওইসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পুনরায় আবার ফিরে এসে সরকারি কম্পিউটারসহ অফিসের চেয়ার, টেবিল কম্পিউটার ব্যবহার করে দালালি করছেন। এদের কাছে অধিকাংশ কর্মচারী ও কর্মকর্তাগণ জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এদের কারণেই কাস্টসস এক্সাইজ ভ্যাট অফিসগুলো ঘিচ ঘিচ করছে। অনেক সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তাদের কোন প্রকার পাত্তা দেন না। এরা শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন।
উল্লেখ্য, এ বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা দক্ষিণ এর পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বহিরাগতদের উচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়ে সংগঠনের সদস্যরা মতামত ব্যক্ত করেছেন। আর এ বিষয়টি সংগঠনটির সভাপতি মাজহারুল ইসলাম সকালের সময়কে বহিরাগতদের উচ্ছেদ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আর উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম তুহিন সকালের সময়কে জানান, বহিরাগত দালালদের অপতৎপরতা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। তাদের কাজ কর্মে সরকারি অফিসের কাজের বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি প্রতিবেদক এর কাছে বিভিন্ন টেলিভিশন ও দৈনিক পত্রিকার শতাদিক সাংবাদিকের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। আবার পুলিশ সদর দপ্তরের অসংখ্য পুলিশ অফিসার তার বন্ধু বান্ধব বলে জানিয়েছেন। বহিরাগতদের উচ্ছেদে পুনরায় তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। 


আরও পড়ুন