ঢাকা শনিবার, ২১ মে, ২০২২

মহেশপুরে ওসির দক্ষতায় নিরাপরাধ ব্যক্তির মুক্তি


মহেশপুর প্রতিনিধি photo মহেশপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪-৫-২০২২ দুপুর ৩:৩০

ঝিনাইদহের মহেশপুরে হেরোইন রাখার অপরাধে আজিজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়। তার বাজারের ব্যাগে পাওয়া যায় হেরোইন। আজিজুল শ্যামকুড় ইউপির গুড়দাহ গ্রামের এরশাদ আলীর ছেলে। থানায় এনে হাজতে রাখা হয় আজিজুলকে। 

এ সময় আজিজুলের সাথে কথা বলেন ওসি সেলিম মিয়া। তার (আজিজুল) কান্না ও আচারণে বুঝতে পারেন তিনি মাদকের সাথে জড়িত নন। এরপর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালান। উদ্ধারকৃত হেরোইন আসল কি-না সে বিষয়ে সন্দেহ হলে বিভিন্ন পরীক্ষার পর প্রমাণ হয় তা হেরোইন নয়। এতে বিষয়টি পরিষ্কার হয়, হেরোইনসদৃশ বস্তু দিয়ে কেউ নিরাপরাধ ব্যক্তিকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। এরপর মুক্তি দেয়া হয় আটক আজিজুলকে। 

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, থানার এসআই হাফিজুর রহমানের মোবাইলে আরিফ পরিচয় দেয়া এক ব্যক্তি ফোন করে (তদন্তের স্বার্থে ফোন নম্বরটি গোপন রাখা হয়েছে) সংবাদ দেন আজিজুল হেরোইনের ব্যবসা করেন। তার বাড়িতে তল্লাশি করলে হেরোইন পাওয়া যাবে। বিষয়টি মহেশপুর থানার ওসি সেলিম মিয়াকে জানানো হলে তিনি অভিযান চালাতে নির্দেশ দেন। আজিজুলের বাড়ি তল্লাশি করে কোনো হেরোইন পাওয়া না গেলে ফোন দেয়া হয় সংবাদদাতা আরিফকে। তখন তিনি (আরিফ) বলেন, আজিজুলের বাজারের ব্যাগের মধ্যে হেরোইন আছে। তার কথা মিলে গেলে হেরোইনসহ আজিজুলকে ধরে থানায় আনা হয়। 

এরপর আটকৃকত ব্যক্তির কথাবার্তা ও উদ্ধারকৃত হেরোইন দেখে ওসি সেলিম মিয়ার সন্দেহ হয়। পরে প্রমাণিত হয় হেরোইনের মতো দেখতে হলেও এটা হেরোইন নয়।

এদিকে আটককৃত ব্যক্তির কথপোকথনে তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারেন, কেউ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। পরে তিনি পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে আটককৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দেন। 

মুক্তি পাওয়া আজিজুল সাংবাদিকের বলেন, আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আজ শুধু ওসি স্যারের দক্ষতায় আমি মুক্তি পেলাম। আমার জীবনে আমি এমন কোনো পুলিশ কর্তকর্তার কথা শুনিনি। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। পেপার-পত্রিকায় প্রতিনিয়ত নিরাপরাধ মানুষের সাজা হওয়ায় ঘটনা দেখি। প্রতিটি পুলিশ অফিসার যদি সেলিম স্যারের মতো হন তাহলে আমাদের মতো নিরাপরাধ মানুষ আর সাজা পাবে না। সাধারণ মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে।    

এ ব্যাপারে ওসি সেলিম মিয়া বলেন, প্রথমে আটককৃত ব্যক্তির কান্না ও কথা-বার্তায় কেমন যেন সন্দেহ হয়েছিলে। পরে আমি উদ্ধারকৃত হেরোইন পরীক্ষা করে দেখি তা ভুয়া। এরপর উপর মহলের সাথে কথা বলে আমি তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মুক্ত করি। আমি চাই না আমি থাকতে মহেশপুর থানার কোনো নিরাপরাধ ব্যক্তি সাজা পাক।  

এদিকে ওসির বিচক্ষণতায় নিরাপরাধ ব্যক্তির মুক্তি পাওয়ার ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী ওসি সেলিম মিয়াকে প্রশংসার জোয়ারে ভাসান। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুল আজাসহ শতাধিক এলাকাবাসী এসে ওসি  সেলিম মিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

এমএসএম / জামান

তানোরে হেরোইন ও ইয়াবাসহ স্বামী স্ত্রীসহ ৪ জন গ্রেপ্তার

তানোরে পাকা রাস্তা নষ্ট করে মাটি বাণিজ্যে

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে বালুবোঝাই বাল্কহেড ডুবি

ধামরাইয়ে মারামারি থামাতে এসে যুবকের মৃত্যু

উলিপুরে বাদামের বাম্পার ফলন তিস্তা নদীর গর্ভে

৫ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

বন্যায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী, পৌঁছেনি ত্রাণ

গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাণ গেল পুলিশ সদস্যের, আহত ৭

সিলেটে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড কুষ্টিয়া

খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিতে জিডির জের ধরে খুলনার ৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি

চাটখিলে রঙ্গের কন্টিনার ভর্তি পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু